বিশেষ প্রতিনিধি।। সাভারের কুড়িয়ে পাওয়া এক শিশু কন্যাকে লালন পালন করে পরিণত বয়সে পাত্রস্থ করেলেন এক ইউপি চেয়ারম্যান।
শনিবার ১৯ জুন সন্ধ্যায় তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারমানের অফিসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই বিয়ের আয়োজন করা হয়। বাবার দ্বায়িত্ব নিয়ে পিতা-মাতার পরিচয় না জানা কন্যাকে বিয়ে দিতে পেরে তিনি দারুন খুশি।
উপযুক্ত পাত্র পেয়ে নাসিমা আবেগ আপ্লুত হয়ে ওই চেয়ারম্যানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। জানা গেছে, ৮ বছর বয়সী নাসিমা আক্তারকে সাভারের বলিয়ারপুর টেকের বাড়ি থেকে কুড়িয়ে পেয়ে ছিলেন তেঁতুলঝোড়া ওই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর।
তিনি তখন ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করছিলেন। নাসিমা তখন তার বাবা মায়ের নাম বলতে পারলেও বাড়ির ঠিকানা বলতে পারছিলেন না। সমর তাকে নিয়ে তেঁতুলঝোড়া চান্দুলিয়া এলাকার কোহিনুর বেগম নামে এক মহিলাকে লালন পালনের দ্বায়িত্ব দেন। প্রাপ্ত বয়স্ক হলে সমর তাকে পাত্রস্থ করতে পাত্র খোঁজেন।
অবশেষে ১৯ জুন শনিবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাভারের হেমায়েতপুরস্থ বাসার সামনের অফিসে নাসিমার (১৯) ঘটা করে বিয়ের আয়োজন করেন তিনি। উপস্থিত সবাইকে মিষ্টি মুখ করান। নাসিমার বর কুড়িগ্রাম ভুরুঙ্গামারীর ছোবহান আলীর পুত্র শাহজালাল (২৭) তিনি সাভার পৌরসভায় চাকরি করেন। বাসা পৌর এলাকার গেন্ডা মহল্লায়।
এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে কন্যাার বিয়েতে শাড়ি গহনা থেকে শুরু করে সবকিছু উপহারের পাশাপাশি নগদ অর্থায়নও করেন সমর। পরে এক প্রতিক্রিয়ায় সমর বলেন, এমন একটি কাজ করতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে। ১১ বছর তিনি সবসময় তার খোঁজখবর রেখেছেন এবং বিয়ে দেয়া হলেও তিনি সবসময় ওই পরিবারের খোঁজখবর রাখবেন এবং পাশে থাকবেন বলে জানান।
আমাদেরবাংলাদেশ.কম/সিয়াম